LATEST ARTICLES

WordPress or Manual Coding?

0

ওয়ার্ডপ্রেস নাকি ম্যানুয়ালি কোডিং

আপনি আপনার ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস এ করবেন নাকি কোড করে করবেন তা নির্ভর করে আপনি এদের কতটুকু জানেন এবং এদের পার্থক্য গুলো সম্পর্কে ভালোভাবে তো আজকে আমি আপনাকে এদের পার্থক্য
সম্পর্কে বলবো

কোডিং করে সাইট?
কোড করে সাইট তৈরি করতে গেলে আপনাকে আগে কিছু ধাপ বা সময় ব্যায় করতে হবে আপনি যে কাজই করতে যান আমি আপনাকে বলবো আপনি আগে ওই জিনিসটা নিয়ে দেখুন ঘাটাঘাটি করুন তারপর আপনি বুঝতে
পারবেন এখন আসি কেন বললাম যে আপনাকে কিছু সময় ব্যায় করতে হবে আপনি হয়তো জানেন যে একটি ওয়েবসাইট বানাতে গেলে কিছু ভাষা জানতে হয় সে সব ভাষা হলো এইচটিএমএল, সিএসএস , জাভাস্ক্রিপ্ট পিএইচপি
আপনি একটা সাইট বানাতে গেলে আপনাকে এই ল্যাংগুয়েজ বা ভাষাগুলো জানতে হবে তারপর আপনি আপনার নিজের সাইট বানাতে পারবেন। আর আপনি যদি এসব কিছুই না জানেন তাহলে আপনাকে আগে এসব জানতে হবে এবং
এর পর আপনি ম্যানুয়ালি কোড করে সাইট তৈরি করতে পারবেন। এ ত গেল ফ্রন্ট এন্ড এর ব্যাপার এরপর আপনাকে নজর দিতে হবে ব্যাক এন্ড এ ব্যাক এন্ড এর জন্য আপনাকে শিখতে হবে পিএইচপি জাবাস্ক্রিপ্ট বা পাইথন।।

নাকি ওয়ার্ডপ্রেস??
আপনি হয়তো জানেন যে ওয়ার্ডপ্রেস এ কোন সাইট বানানোর জন্য কিছু থিম রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি শুধুমাএ ড্রাগ এন্ড ড্রপ এর মাধ্যমেই সাইট বানাতে পারবেন বা ক্লিক এর মাধ্যমে কোন প্রকার কোড লেখার মাধ্যমেই সাইট
বানাতে পারবেন কিন্তু কথা হলো এই থিম গুলো কারা বানায় এই থিম গুলো বানায় ডেভেলপারই কিন্তু তাহলে কী দাড়ালো যে ওয়ার্ডপ্রেস সম্পূর্ন ডেভেলপারদের ওপর নির্ভরশীল?? না আসলে তা না আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস এ সাইট বানাতে
পারেন বা সাইট কোন সাইট থিম এবং প্লাগিন এর সাহায্যে ডেভেলপ করতে পারেন তাহলে কনগ্রাজুলেশন আপনি একজন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার

পার্থক্য কী??
ওয়ার্ডপ্রেস এবং ম্যানুয়ালি কোডিং এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো স্বাধীনতা কোডিং যারা করে তারা সম্পূর্ন স্বাধীন তাদের কোন নির্ভরশীলতা নেই তারা নিজের ইচ্ছা মতো কাজ করতে পারে নিজের ইচ্ছা মতো সাইট তৈরি করতে পারে
কিন্তু যারা ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার তাদের কিছু পরাধীনতা বা সীমাবদ্ধতা থাকে তারা তাদের ইচ্ছা মতো কাজ করতে পারেন না অর্থাত তারা শুধু মাএ সেসব ফিচারস ই ইউজ করতে পারবে যা একজন থিম ডেভেলপার তার থিম এ দিয়েছেন
বা সেই ফিচারস এর কোন প্লাগিন রয়েছে ধরুন আপনি আপনার সাইটে কোন একটি নিজের মনের মতো ফিচার এড করতে চান তাহলে আপনাকে কী করতে হবে প্রথমেই আপনাকে দেখতে হবে আপনার থিম এ এমন সাপোর্ট এর কোন ফিচারস
আছে কিনা বা এমন কোন প্লাগিন আছে কিনা না থাকলে আপনার এ ফিচারটি এড করার জন্য কোড করতে হবে এবং এখানেই আসে আসল খেলা অর্থাত ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কোন সাইট বানাতেও আপনার কোড শিখার প্রয়োজন রয়েছে আপনি যদি
কোড যানেন তাহলে আপনি খুব সহজেই নিজের ইচ্ছা মতো ওই ফিচারটি কোড করে এড করে নিতে পারবেন।।।।

Learn WordPress A to Z part:1

0

ওয়ার্ডপ্রেস কী? কীভাবে কাজ করে?

ত আপনি যদি জীবনে একবার ও ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করেন তাহলে নিশ্চই ওয়ার্ডপ্রেস এর নাম শুনছেন বা কাজ করছেন। হয়তো আপনি কোথাও দেখেছেন যে কীভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যাবহার করে
বা কীভাবে এই ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি পুরো সাইট তৈরি করে পাবলিশ করে এমনি আমি নিজেও দেখেছি অনেক যে তারা ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কাজ করছে ওয়ার্ডপ্রেস এ পুরো ওয়েবসাইট তৈরি করছে পাবলিশ করছে
কিন্তু তারা জানে না যে ওয়ার্ডপ্রেস কেন ইউজ করা হয় বা কেন সবাই ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করার পরামর্শ দেয়। আজকে আমি আপনাদের এই বেসিক জিনিস গুলো নিয়ে আলোচনা করবো

ওয়ার্ডপ্রেস কীভাবে কাজ করে তা জানার আগে আপনাকে জানতে হবে ওয়েবসাইট কীভাবে কাজ করে ত চলুন জেনে নেই যে ওয়েবসাইট কীভাবে কাজ করে ???
উদাহরন হিসাবে বলা যায় যে ওয়েবসাইট কাজ করে ডোমেন এবং হোস্টিং এর সমন্যয়ে ডোমেন হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট এর নাম টা শেষে যে ডট নাম টা থাকে সেটাই হচ্ছে ডোমেন আর হোস্টিং হচ্ছে আপনার
যেখানে ফাইলগুলো রাখেন মানে য়ে স্পেস টায় আপনি আপনার ফাইলগুলো রাখেন এখন হলো এর কাজ কী?এর কাজ হলো আপনি যখন একটি ওয়েবসাইট ব্রাউজ করেন তখন যে ব্রাউজার ইউজ করেন তারা আপনার এই
ফাইল গুলো হোস্টিং মানে যেখনে রাখা আছে সেখান থেকে নিয়ে এসে আপনাকে দেখায় কিন্তু সমস্যা হলো এই ব্রাউজার গুলো আমার আপনার ভাষা বুঝেন না তারা বুঝেন কিছু স্পেসাল ল্যাংগুয়েজ যেমন এইচটিএমএল,সিএসএস,জাবাস্ক্রিপ্ট
পিএইচপি এইসব ল্যাংগুয়েজ এখন আপনি হয়তো এসব ল্যাংগুয়েজ জানেন না আপনাকে একটা ওয়েবসাইট বানানোর জন্য কোন ডেভেলপার এর কাছে যেতে হবে যে এসব ল্যাংগুয়েজ জানে কিন্তু তার পক্ষেও এসব কোড করে ওয়েবসাইট
তৈরি করা খুব কঠিন কাজ এবং সময়সাপেক্ষ এবং এই কাজ টি আপনি কোন ডেভেলপার দিয়ে করলে জিনিসটি খুব কস্টলি হবে আর ঠিক এখানেই চলে আসে ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ ওয়ার্ডপ্রেস আপনার জন্য একটি ট্রান্সলেটর হিসাবে কাজ করে
যে ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য যে এতো কম্পলিকেটেড কোড করা দরকার ওয়ার্ডপ্রেস এ আপনাকে তা করে লাগবে না আপনি আপনার মতো করে করবেন ওয়ার্ডপ্রেস তা যে ভাষায় ব্রউজার বুঝবে সে ভাষায় ট্রান্সলেট করে দিবে এটাই হচ্ছে মূলত ওয়ার্ডপ্রেস
এর কাজ

ওয়ার্ডপ্রেস কেন এতো সুবিধা???
ধরুন আপনি আপনার ওয়েবসাইটে একটা নতুন ইমেজ জোগ করতে হবে তখন আপনি কী করবেন ইমেজ জোগ করার জন্য যে এইচটিএমএল কোড আছে সেটি লেখতে হবে পিএইচপি দিয়ে করতে হবে এমনকি শুধু এইচটিএমএল এবং পিএইচপি না
আপনাকে সিএসএস দিয়ে ওই ইমেজ কে স্টাইল দিতে হবে তারপর ছবি আপনার সাইটে যোগ হবে কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস এ আপনাকে শুধু মিডিয়া ফাইল নামে অপশন এ আপনার ছবি টি যোগ করে দিতে হবে ব্যাস আপনার সাইটে আপনার ছবি যোগ হয়ে যাবে

এখন ওয়ার্ডপ্রেসই কী একমাএ সাইট যেখানে আপনি এমন করতে পারেন না ওয়ার্ডপ্রেস এর মতোই আরও অনেক আছে যেমন জুমলা,উইক্স,ব্লগার যেখানেও আপনি একই কাজ করতে পারবেন।

What is broadband.Who it’s work

0

আমরা সকলেই ত ব্রডব্রান্ড ইউজ করি বা ইন্টারনেট ইউজ করি এমনকি আপনি যে এই লেখাটি পড়ছেন এটিও ইন্টারনেট ইউজ করে আমরা সকলেই জানি যে ব্রডব্রান্ড হলো আনলিমিটেড এবং মোবাইলে যে ডাটা
ইউজ করি তা হলো লিমিটেড কিন্তু আমাদের মনে কি কোন দিনও প্রশ্ন এসেছে যে কেন মোবাইল ডাটা লিমিটেড এবং ব্রডব্রান্ড যা আমরা ইউজ করি তা আনলিমিটেড ত চলুন আজকে জেনে নেই যে কেন মোবাইল ডাটা
লিমিটেড এবং ব্রডব্রান্ড আনলিমিটেড।।

সবার প্রথমে আমাদের বুঝতে হবে যে আনলিমিটেড ইন্টারনেট বলতে কী বুঝায় দেখেন এই যে আপনারা আনলিমিটেড আনলিমিটেড বলেন এটি কিন্তু আসলে আনলিমিটেড নয় তাহলে সত্যি কার এর আনলিমিটেড জিনিসটা
কী

আনলিমিটেড ইন্টারনেট
আনলিমিটেড বলতে আমরা কী বুঝি আনলিমিটেড বলতে অফুরন্ত মানে আপনি যতটুকু চান আপনি তাই ইউজ করতে পারবেন কিন্তু এখানেও একটি সমস্যা রয়েছে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার ই
করেন কী তারা আপনাকে একটি নির্দিস্ট সময় পর বা একটি নির্দিস্ট ডাটা ইউজ করার পর আপনার ইন্টারনেট স্পিড কমিয়ে দেয় বা ডাউন করে দেয় এবং এটি ফেয়ার উইজ পলিসি এর আওতাভুক্ত যাতে আপনার আসেপাসে
যারা থাকেন মানে অন্য যারা ব্রডব্রান্ড ইউজ করেন তারাও যাতে ব্যাবহার করতে পারে কিন্ত আমাদের রিসোর্স হলো সিমীত। এই ইন্টারনেট ইউজারদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে আর এই স্পিড এর ও সমস্যা হচ্ছে ।

ধরুন আপনি বা কোন একজন কোন কাজ করেন না বা কিচ্ছু করেন না আপনি মা বাবার টাকায় চলছেন এবং আপনি সারাদিন ইন্টারনেট ইউজ করেন কারন আপনি ব্রডব্রান্ড নিয়ে রেখেছেন তাই আপনি সারাদিন বড় বড় মুভি গেমস ডাউনলোড
করেন এখন সাধারণ কথাই যে অবশ্যই আপনি একাই এরকম না আরও অনেকে এরকম করে অপরদিকে একজন মানুষ যে সারাদিন কাজ করে রাতের বেলে ইন্টারনেট এ ২-৩ টা পেজ লোড করে তাই আপনি বা ওই লোক যে সারাদিন
ডেটা ইউজ করেন ডাউনলোড করেন তার ইন্টারনেট স্পিড কিছু সময় পর কমিয়ে দেওয়া হয় কারন আপনি যেমন কম্পানি কে টাকা দিচ্ছেন ওই ব্যাক্তিও ত কম্পানি কে টাকা দিচ্ছেন এর কারনেই কিছু সময় ইউজ বা ডাউনলোড করার পর
আপনি তেমন স্পিড পান না শুধু ব্রাউজিং ই করতে পারেন।এখন চলুন কথা বলি আসলে আনলিমিটেড কোনটা??ট্রুলি আনলিমিটেড সেটাই যেটাতে আপনি কন্টিনিউয়াসলি ব্যাবহার করবেন কিন্তু আপনার স্পিড এর কোন ঘাটতি থাকবে না
বা আপনি যত ইচ্ছা তত ডাউনলোড করতে পারবেন আপনার স্পিড নিয়ে কোন চিন্তা করতে হবে না এটিই কিন্তু এই যে প্যাকেজ টি থাকে বা আপনি যাদের থেকে নিবেন এই প্যাকেজ টির রেট অনেক হাই হয়ে থাকে এখন অনেক লোক
যদি একসাথে ট্রুলি আনলিমিটেড প্লান নিয়ে থাকে তাহলে কী হবে তারা ত সবাই একি সাথে ইউজ করতে থাকবেন তখন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার রা যদি দেখেন যে স্পিড কম হচ্ছে আস্তে আস্তে তখন তারা কী করবে তারা তাদের
সিস্টেম মানে তাদের মেশিন জিনিসপএ বা যে সব জিনিস ইউজ করা হয় তা তারা বাড়িয়ে দিবে যার জন্য টাকার প্রয়োজন এবং টাকা ওলরেডি আপনি তাদের দিয়েছেন যাতে তারা আপনাকে ট্রুলি আনলিমিটেড ইন্টারনেট দিতে পারে
বাংলাদেশে আমার জানা মতে এমন খুব কম কম্পানিই আছে যারা ট্রুলি আনলিমিটেড ইন্টারনেট দিয়ে থাকেন। তাই আশা করি আপনি পরের বার যখন কোন কিছু ইউজ করবেন বা ডাউনলোড করবেন স্পিড কম হলে আপনি আপনার
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার কে গালি দিবেন না এবং খুব সতর্কতার সাথে জেনে বুঝে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার চুজ করবেন।

Earn with Fiverr

0

ফাইবার কী??

নিজের জন্য অতিরিক্ত কিছু অর্থোপার্জন করার জন্য ফাইবার এমন এক জায়গা যেখানে আপনি অনলাইনে আপনার ব্যবসা শুরু করার প্রথম পদক্ষেপ নিতে পারেন এটি উদ্বেগের অনেকটা দূর করে দেয় এবং প্রারম্ভকালীন ব্যয়ের সহযোগী একটি ব্যবসায়কে শুরু করছিল পুরাতন পদ্ধতিতে সরল এবং সাধারণ ফাইবার business
চমত্কার তাই আপনি গ্রাফিক ডিজাইনার গ্রাহক সেবা প্রতিনিধি কোনও ব্যবসায়ের একজন আইনজীবী আমার মতো একজন অভিনেতা ভয়েস অভিনেতা বা কেবল যে কোনও কিছুতে ফাইবার ভাল সে আপনার জন্য হতে পারে আমি সম্পর্কে একটি ফাইবার খুঁজে পেয়েছি
বছর দেড়েক আগে আমি অনলাইনে কিছু পোস্ট পেলাম যেখানে লোকেরা ফাইভার নামক এই ওয়েবসাইটটি সম্পর্কে কথা বলছিল এবং তারা কীভাবে লোকজনের জন্য ইমেল লিখছিল তাদের অতিরিক্ত সময় পরিষেবাগুলিতে তারা এই অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছিল এবং
আমি যখন একটি বড় টেক সংস্থায় অ্যাকাউন্ট এক্সিকিউটিভ ছিলাম তখন তারা প্রচুর অর্থোপার্জন করছিল আমি সমস্ত সময় ইমেল লিখি তাই আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে এই লোকেরা যারা ফাইবারের জন্য ইমেলগুলি আমি ইমেল করার জন্য লিখে রাখছি


ফাইবার বিক্রেতা হওয়ার আগে আমার যে ধরণের যোগ্যতা বা প্রয়োজনীয়তা প্রয়োজন ছিল তা আমি জানতে আগ্রহী না হয়ে কেন আমি শীঘ্রই বুঝতে পেরেছিলাম যে সেখানে এটি ছিল না এবং আমি এখানে আছি তাই আমি ‘ভী
গত দেড় বছর ধরে কপিরাইটিং পরিষেবাদি বিক্রয়কারী ফাইবার বিক্রেতা হয়েছি আমি বিভিন্ন দেশ থেকে অনলাইনে লোকদের কাছে জিনিস বিক্রি করার বিষয়ে এতটা শিখেছি আমি পাশের দিকে বেশ কিছুটা নগদ করেছি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে
আমার জন্য আমি লেখক হিসাবে উন্নত হয়েছি যার প্রথম কারণেই আমি ফাইভারের মতো একটি পরিষেবা চেয়েছিলাম বলে আমি ভেবেছিলাম যে লেখার জন্য অর্থ প্রদান করে লেখার অনুশীলন এবং আরও লেখার প্রতি আরও ঝোঁক পড়বে এবং এটি হয়েছে
আমার পক্ষে অবশ্যই সত্য তাই আমার অনুমান যে এই লেখাটির নৈতিকতা হ’ল ফাইবার যা আপনার প্রয়োজন বা অর্থ প্রয়োজন এমন জায়গা হতে পারে যা কিছু অতিরিক্ত অভিজ্ঞতা বা দক্ষতা অর্জনের জন্য জায়গা হিসাবে লোকের কাছে আপনার দক্ষতা বিক্রি করার জায়গা হতে পারে really
বিশ্ব আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বা আপনার নিজের ব্যবসা শুরু করার জন্য কোনও জায়গায় অতিরিক্ত কিছু অর্থ যোগ করে যাতে নতুনদের জন্য প্রথম লেখাটিতে আপনার কাছে যা আছে তা আপনি জানেন যে ফাইভারটি যা হয়েছে তা আমি আপনাকে একটি রিন্ডাউন দিতে চাইছিলাম
আমার জন্য এবং এটি আপনার পক্ষে কী হতে পারে আপনি জানেন যে এই ভিডিওটি আপনার মনের মধ্যে প্রথম বীজ বজায় রাখবে যে ফাইবার ফাইবার আপনার জন্য কিছু অতিরিক্ত অর্থ কিছু দক্ষতা অর্জন করতে এবং যে কোনও পথেই বাড়তে পারে তার জন্য একটি ভাল বিকল্প হতে পারে
আপনি যাতে আরও বাড়তে চান তাই দেখার জন্য এই সাইটটির সাথে যোগাযোগ রাখুন।এই সাইটে কীভাবে আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন সে বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা করে থাকি

Complete Guideline for Back-End Developer

0

গত লেখাতে আমি আপনাকে বলেছি যে আপনি কীভাবে একজন পরিপূর্ন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হয়ে উঠতে পারবেন এবং আজকে আমি আপনাদের বলবো কীভাবে আপনি একজন পরিপূর্ন ব্যাক এন্ড এবং ফুল স্ট্যাক
ওয়েব ডেভেলপার হয়ে উঠতে পারবেন। ত চলুন জেনে নেই একজন ব্যাক এন্ড ডেভেলপার হতে হলে আপনাকে কী কী জানতে হবে

ব্যাক এন্ড ডেভেলপার কারা????
ব্যাক-এন্ড ডেভলপমেন্ট সার্ভার-সাইড ডেভলপমেন্টকে বোঝায়। এটি ডাটাবেস, স্ক্রিপ্টিং, ওয়েবসাইট আর্কিটেকচারের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। এটিতে দৃশ্যের পিছনের ক্রিয়াকলাপগুলি রয়েছে যা কোনও ওয়েবসাইটে কোনও
ক্রিয়াকলাপ করার সময় ঘটে। এটি অ্যাকাউন্ট লগইন হতে পারে বা একটি অনলাইন স্টোর থেকে কেনাকাটা করা যেতে পারে। ব্যাক-এন্ড বিকাশকারীদের দ্বারা লিখিত কোড ব্রাউজারগুলিকে ডাটাবেস তথ্যের সাথে যোগাযোগ করতে সহায়তা করে।
যারা একটি ওয়েবসাইট এর পিছনের দিকের কাজ গুলো করে মানে ওয়েবসাইট এর ভিতর যে কাজ গুলো হয় তা করে বা তা তৈরি করে তাদের সাধারণত ব্যাক এন্ড ডেভেলপার বলা হয়।
ব্যাকএন্ড প্রোগ্রামিংয়ের সর্বাধিক সাধারণ উদাহরণ হ’ল আপনি যখন ব্লগে একটি নিবন্ধ পড়ছেন। হরফ, রঙ, ডিজাইন ইত্যাদি এই পৃষ্ঠার সম্মুখভাগ গঠন করে। নিবন্ধের বিষয়বস্তুটি একটি সার্ভার থেকে
রেন্ডার করা হয় এবং একটি ডাটাবেস থেকে আনা হয়। এটি অ্যাপ্লিকেশনটির ব্যাকএন্ড অংশ।

ব্যাক এন্ড এবং ফ্রন্ট এন্ট ডেভেলপার এর পার্থক্য কী???

মূল পার্থক্যটি হ’ল ব্যাকেন্ড ডেভেলপাররা কোনও ওয়েবসাইট কীভাবে কাজ করে তা তৈরি করার সময়, ফ্রন্ট-এন্ড প্রোগ্রামাররা ইন্টারফেসটি তৈরি করে এবং ডিজাইন করে, সাইটটি ব্যবহারকারীদের কীভাবে দেখায় তা নির্ধারণ করে।
ব্যাকএন্ড ওয়েব ডেভেলপাররা ফাউন্ডেশনাল কোড দেয় যা ওয়েবসাইটগুলি ব্যবহারকারীদের সম্মুখ প্রান্তে নেওয়া ক্রিয়াগুলি প্রক্রিয়া করতে এবং বিনিময়ে সঠিক তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম করে।
উভয়ই অন্যটি ছাড়া কাজ করে না front সামনের প্রান্তটি তৈরি করতে আপনার পিছনের প্রান্তটি প্রয়োজন এবং আপনার সামনে প্রান্তটি প্রয়োজন যাতে লোকেরা ওয়েবসাইটটিতে অ্যাক্সেস করতে এবং যোগাযোগ করতে পারে।
ব্যাকএন্ড ডেভেলপাররা সাধারণত ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপারদের তুলনায় উচ্চতর বেতন অর্জন করে, কারণ ব্যাকএন্ড ভাষা আরও প্রযুক্তিগত হয়। ব্যাকএন্ড ডেভেলপারদের গড় বেতন $ 101,619 / yr, অন্যদিকে ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপারদের $ 76,929 / yr উপার্জন করে।
এখানে পূর্ণ-স্ট্যাক ডেভেলপার ও রয়েছে, যারা ব্যাকএন্ড এবং ফ্রন্ট-এন্ড উভয় প্রযুক্তির সাথেই কাজ করতে পারে। তারা হ’ল প্রোগ্রামিং জগতের জ্যাক-অফ-অল ট্রেডস।

কীভাবে হয়ে উঠবেন একজন ব্যাক এন্ড এবং ফুল স্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার????
এখন আপনি যদি ব্যাক এন্ড ডেভেলপার হতে চান তাহলে আপনার কাছে অনেকগুলো পথ খোলা রয়েছে আপনি অনেক ভাবে হয়ে উঠতে পারেন একজন ব্যাকএন্ড ডেভেলপার কিন্তু আপনি যেভাবেই হতে চান না কেন
এই সেক্টরে কাজ করতে আপনার যে যিনিসটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো ধৈর্য আপনাকে ধৈর্য ধারন করে আস্তে আস্তে হয়ে উঠতে হবে একজন ব্যাকএন্ড ওয়েব ডেভেলপার।
ব্যাক এন্ড ডেভেলপার হতে হলে আপনাকে একটি প্রগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ও পারদর্শী হয়ে উঠতে হবে সেটি হতে পারবে জাবাস্ক্রিপ্ট,পিএইচপি বা পাইথন এর তিনটি ল্যাংগুয়েজ এর মধ্যে যেকোন একটি তে হয়ে উঠতে হবে পারদর্শী
কারন ব্যাক এন্ড ডেভেলপমেন্টগুলো হয়ই সাধারনত প্রগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর মাধ্যমে। এ ক্ষেএে আপনি যদি জাবাস্ক্রিপ্ট শিখেন তাহলে আপনাকে জাবাস্ক্রিপ্ট এর একটি লাইব্রেরি যা নোড জেএস নামে পরিচিত তা শিখতে হবে পিএইচপি
শিখলে আপনাকে শিখতে হবে লারভেল পাইথন শিখলে শিখতে হবে জ্যাংগো আপনি যে ল্যাংগুয়েজ ই শিখুন আপনাকে একটি লাইব্রেরি আয়ও করতে হবে। আর আপনি যদি এই ফ্রন্ট এন্ড এবং ব্যাকএন্ড দুটিই শুখতে চান তাহলে আপনাকে
এই সব বিষযগুলো শিখতে হবে এবং জানতে হবে।এর মাধ্যমেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন সম্পূর্ন ব্যাকএন্ড ওয়েব ডেভেলপার।

Web Developer Complete Guideline

0

আপনি হয়তো আমারে আগের লেখাটিতে পড়েছেন যে কাদের ওয়েব ডিজাইনার বলা হয় ওই লেখাতে আমি আপনাদের ওয়েব ডেভেলপারদের কথা বলেছিলাম ত আজকে আমি আপনাকে
বলবো একজন ওয়েব ডেভেলপার এর কাজ কী এবং কীভাবে একজন ওয়েব ডেভেলপার হয়ে উঠবেন

ওয়েব ডেভেলপার কারা??
যারা বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করে তাদের সাধারনত ওয়েব ডেভেলপার বলে। ওয়েব ডেভেলপার আবার দুই ধরনের একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার এবং একজন ব্যাক এন্ড ডেভেলপার ফ্রন্ট এন্ড এবং
ব্যাক এন্ড ডেভেলপারদের মধ্যে একটি বিরাট পার্থক্য রয়েছে যা আপনাকে বুঝতে হবে এবং তারপর আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি কোনটা হবেন একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার নাকি ব্যাক এন্ড ডেভেলপার
ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার, ব্যাক এন্ড ডেভেলপার এবং সম্পূর্ণ স্ট্যাক ডেভেলপার মধ্যে পার্থক্য পরিষ্কার করার জন্য আমাদের এক মুহুর্তের জন্য বিরতি দেওয়া উচিত। আসুন এটি সহজ শর্তে রাখি:

ব্যবহারকারীরা
যে অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইটটির অংশ দেখতে এবং তার সাথে যোগাযোগ করে তার জন্য ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার দায়বদ্ধ। একটি ব্যাক এন্ড ডেভেলপার অবকাঠামো এবং ডাটাবেসগুলির মতো “পর্দার আড়ালে”
বিষয়গুলির যত্ন নেয়। সম্পূর্ণ স্ট্যাক ডেভেলপার উভয়ের মিশ্রণ, সমস্ত ট্রেডের একটি জ্যাক যা পুরো নকশা প্রক্রিয়াটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিচালনা করতে পারে।
চূড়ান্তভাবে একদিকে যেমন, পুরো স্ট্যাক ডেভেলপার রয়েছে। তারা পূর্ণ-স্ট্যাক ডেভেলপার যাদের প্রকল্প পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এবং সিস্টেমগুলি কনফিগার, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলায় পারদর্শী।

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার এর স্যালারি কত???
গ্লাসডোরের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি ফ্রন্ট এন্ড বিকাশকারী প্রতি বছর গড়ে $ 86,178 ডলার উপার্জন করতে পারে। পেস্কেল অনুসারে একজন “নিয়মিত” ফ্রন্ট-এন্ড বিকাশকারী গড়ে গড়ে $ 71,350 ডলার উপার্জন করতে পারেন।
একজন জুনিয়র ফ্রন্ট এন্ড বিকাশকারী (তাদের নীচে সম্পর্কে আরও) গড়ে গড়ে প্রায় 49,000 ডলার উপার্জন করে তবে তাদের অভিজ্ঞতা কম প্রয়োজন এবং কম দায়িত্ব রয়েছে বলে বিবেচনা করে এটি খুব আশ্চর্যজনক।

ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার কারা???
ওয়েব ডিজাইনার এমন এক পেশাদার যা ওয়েবসাইটের উপস্থিতি এবং নকশা তৈরি করে। এবং ফ্রন্ট এন্ড বিকাশকারী সিএসএস, এইচটিএমএল এবং জাভাস্ক্রিপ্টের মতো কোডিং ভাষা ব্যবহার করে ডিজাইনটি অনলাইনে কাজ করে তা নিশ্চিত করে।
ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার তারাই মূলত যারা একটি ওয়েব সাইট এর ডিজাইনকে ওয়েবসাইটে রূপান্তর করে আপনাকে আমি গত লেখাতে বলেছি যে কারা ওয়েব ডিজাইনার। যখন একজন ওয়েব ডিজাইনার একটি ওয়েবসাইট
এর ডিজাইন তৈরি করে একজন ফ্রন্ট এন্ড ডিজাইনার কে দেয় তখন ওই ফ্রন্ড এন্ড ডেভেলপার ওই ডিজাইনটিকে একটি ওয়েবসাইটে রূপান্তর করে।

আপনি কীভাবে ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হবেন???
ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হওয়ার জন্য আপনাকে কিছু স্কিল শিখে নিতে হবে। এই স্কিলগুলো শিখতে হতে পারে আপনার ৬ মাস ও লাগতে পারে আবার ১ বছর ও লাগতে পারে তা আপনার উপর নির্ভরশীল এই স্কিলগুলো হলো
প্রথমে আপনাকে এইচটিএমএল শিখতে হবে এইচটিএমএল হলো একটি ওয়েবসাইট এর স্ট্রাকচার এরপর যেটি শিখতে হবে তা হলো সিএসএস সিএসএস এর মাধ্যমে আপনি ওই স্টাকচার এর ডিজাইন দেওয়া হয় এর পর আপনাকে
এদের কিছু একস্ট্রা ফিচারসগুলো আয়ও করতে হবে এরপর শুরু হবে আসল ওয়েব ডেভেলপার এর কাজ এরপর আপনাকে শিখতে হবে জাবাস্ক্রিপ্ট বা জেকোয়ারি এর মাধ্যমে এ সব জিনিস শিখার মাধ্যমেই আপনি হয়ে উঠবেন একজন ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার

ইন্টার্নশিপ করুন
জুনিয়র ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হয়ে উঠুন। কখনও কখনও, নতুন দক্ষতা শেখার সর্বোত্তম উপায় হ’ল আরও জ্ঞানী লোকের অধীনে কাজ করা এবং এটি জুনিয়র ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার বা কোনও ইন্টার্নই করে। অবশ্যই বেতন কম, তবে আপনার কম যোগ্যতার প্রয়োজন।
এছাড়াও, আপনি আরও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে শিখবেন এবং এটি সর্বদা উপকারী।

Complete Web Developer. Part1

0

আপনারা অনেকেই হয়তো ওয়েব রিলেটেড কাজ করেন বা করেছেন কিন্তু একজন ওয়েব ডেভেলপার এবং ডিজাইনার এর মধ্যে পার্থক্য জানেন না বা বুঝেন না আমি আজকে আপনাকে বলবো কীভাবে
আপনি একজন ওয়েব ডিজাইনার হয়ে উঠতে পারবেন এবং ফুল টাইম মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতে পারবেন

ওয়েব ডিজাইনার কারা???
প্রচলিত ভাষ্য মতে আমরা অনেকেই মনে করি যারা মূলত বিভীন্ন ল্যাংগুয়েজ এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট এর বিভিন্ন ডিজাইন দেয় তারাই ওয়েব ডিজাইনার কিন্তু আসলে তা নয় ওয়েব ডিজাইনার দের কাজ আলাদা
এদেরকে সাধারণত বলা হয় ওয়েব ইউ আই ডিজাইনার তাহলে বলা যায় যে যারা মূলত ওয়েবসাইট এর জন্য বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর ডিজাইন প্রদান করেন তারাই মূলত ওয়েব ডিজাইনার।

কিন্তু আমাদের দেশে এখনও
অনেকেই মনে করেন যে যারা মূলত বিভিন্ন ল্যাংগুয়েজ এর মাধ্যমে ওয়েব সাইট এর ডিজাইন দেয় তারাই ওয়েব ডিজাইনার কিন্তু আজ আপনি জানলেন যে কারা আসল ওয়েব ডিজাইনার এখন কথা হচ্ছে আমি যদি
শুধু ওয়েব ডিজাইন এর কাজ শিখি তাহলে কী আমি শুধুই ওয়েব এর কাজ করতে পারবো নাকি অন্য কোন কাজ ও করতে পারবো উওর হলো আপনি যখন ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজ শিখবেন তখন আপনি অন্য
কাজ ও করতে পারবেন যেমন কোন এপ এর ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন ব্যানার পোস্টার এক কথায় আপনি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ওয়েব ডিজাইনার দুটিই হতে পারবেন। আর বর্তমানে একজন ইউআই ডিজাইনার
এর চাহিদা প্রচুর। কোনও ওয়েব ডিজাইনার কোনও ওয়েবসাইটের উপস্থিতি, বিন্যাস এবং কিছু ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করে। চেহারা, উদাহরণস্বরূপ, ব্যবহৃত রঙ, ফন্ট এবং চিত্রগুলির সাথে সম্পর্কিত। লেআউটটি তথ্য কীভাবে
কাঠামোবদ্ধ ও শ্রেণীবদ্ধ করা হয় তা বোঝায়। একটি ভাল ওয়েব ডিজাইন ব্যবহার করা সহজ, নান্দনিকভাবে আনন্দদায়ক এবং ওয়েবসাইটটির ব্যবহারকারী গ্রুপ এবং ব্র্যান্ডের সাথে স্যুট করে। অনেক ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি সরলতার উপর
ফোকাস দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত বা বিভ্রান্ত করতে পারে এমন কোনও বহিরাগত তথ্য এবং কার্যকারিতা উপস্থিত না হয়। যেহেতু ওয়েব ডিজাইনারের আউটপুটটির কীস্টোন এমন একটি সাইট যা
লক্ষ্য দর্শকদের বিশ্বাসকে জিতায় এবং উত্সাহিত করে, ব্যবহারকারী হতাশার সম্ভাব্য পয়েন্টগুলি যতটা সম্ভব মুছে ফেলা একটি সমালোচনা বিবেচনা

আপনি কীভাবে বা কী দিয়ে ওয়েব ডিজাইন এর কাজ করতে পারবে??
আগে মানুষ শুধু এডোবি ফটোসপ দিয়েই ডিজাইন মানে ওয়েবসাইট ডিজাইন এর কাজগুলো করতো কিন্তু বর্তমানে এর চাহিদা এর কারনে এডোবি নিজেই ওর জন্য একটি নতুন সফটওয়ার তৈরি করে যার নাম এডোবি এক্সডি এবং
এটি সম্পূর্ন একটি ফ্রি সফটওয়ার তাছাড়া এই সফটওয়্যারটি মূলত তৈরিই করা হয়েছে ওয়েবসাইট ডিজাইনারদের জন্য এর কারনে এর মধ্যে কিছু একস্ট্রা ফিচারস রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি খুব সুন্দরভাবে সহজে এবং আকর্ষনীয় ডিজাইন দিতে
পারবেন তাছাড়া ওয়েব এর কাজ করার জন্য আরও কিছু সফটওয়ার রয়েছে যেমন হলো ফিগমা।ফিগমাও একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন রিলেটেড সফটওয়ার এবং এর মাধ্যমে আপনি ঠিক এডোবি এক্সডি এর মতো কাজ করে এবং এর মাধ্যমেও
আপনি সুন্দর সুন্দর ডিজাইন দিতে পারবেন।।।।

How to install wordpress

0

How to Install On Server Site WordPress?

What Is WordPress

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে জনপ্রিয় একটি ব্লগিং প্লাটফর্ম যেখানে আপনি ব্লগ , ইকমার্স , অফিসিয়াল ,Portfolio , বিভিন্ন প্রকার এর ওয়েবসাইট বানানো হয়ে থাকে । কম সময়ে অসাধারণ ওয়েবসাইট বানানোর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস একটি খুবই জনপ্রিয় প্লাটফর্ম ।

ওয়ার্ডপ্রেস কত প্রকার

ওয়ার্ডপ্রেস বর্তমানে দুই প্রকার এর আছে সেগুলু হচ্ছেঃ

১।wordpress.org

২। wordpress.com

wordpress.org কি? এবং এর কাজ কি?

WordPress.org হচ্ছে যেখানে নিজের Admin panel নিজে কন্ট্রোল করবে এবং সাথে থাকছে সকল প্রকার কাস্টমাইজ এর সুবিধা । এখানে নিজের Admin Panel থেকে সকল কিছু কন্ট্রোল করতে হয় । যেহেতু এখানে সকল কিছু নিজের উপর তাই এটি বিগেনার দের জন্য না । এটি শুধু মাত্র এক্সপার্ট দের জন্য । কিন্তু যারা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে চান তারা এটি ব্যবহার করতে পারেন ।

wordpress.com কি? এবং এর কাজ কি?

WordPress.com হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস এর একটি ভাগ যেখানে আপনি আপনার নিজের মত করে ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন । কিন্তু এখানে আপনি নিজের মত কিছুই কন্ট্রোল করতে পারবেন না । সামান্য কিছু জিনিস আপনার নিজের মত কাস্টমাইজ করতে পারবেন । কিন্তু এখানে ওয়ার্ডপ্রেস এর সাব ডোমেইন ফ্রিতে পাবেন । যেখানে আপনি ফ্রি ওয়েবসাইট বানিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারবেন । কিন্তু যারা পার্মানেন্ট ব্লগিং বা প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বানাতে চায় তাদের জন্য wordpress.org বেশি ভালো ।

How to Install WordPress

ওয়ার্ডপ্রেস দুইভাবে ইন্সটল করা যায় । ১। আপনার নিজের কম্পিউটার মানে LocalHost এ আর ২। সার্ভার মানে ডোমেইন Hosting ক্রয় করে ।

আজকে আপনাদের বলবো কিভাবে সার্ভার এ ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করবেন। সার্ভার এ ইন্সটল করতে আপনার প্রথমত দরকার একটি ডোমেইন আর সাথে দরকার হচ্ছে Hosting যেখানে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করতে পারবেন । আপনি ডোমেইন আর হুস্তিং যেকোন ডোমেইন Hosting provider এর কাছ থেকে ক্রয় করতে পারবেন । এখন ডোমেইন Hosting ক্রয় করা হয়ে গেলে আপনি আপনার Hosting এর Cpanel এ যান । সেখানে আপনি আপনি খুজে বের করুন Softacolus App Installer সেখান থেকে আপনি One Click এর মাধ্যমে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করতে পারবেন । তার আগে Softacolus App Installer এ যান তারপর সেখান থেকে ওয়ার্ডপ্রেস সিলেক্ট করুন । সেখানে প্রথম কাজ হচ্ছে আপনার ডোমেইন সিলেক্ট করা । এরপর আপনার সাইট এর নাম এবং সাইট এর টাইটেল সিলেক্ট করুন । এরপর একটি পাসওয়ার্ড সিলেক্ট করুন । এরপর কাজ হচ্ছে আপনার পছন্দ মত একটি থিম সিলেক্ট করা এখন আপনার সকল কাজ শেষ এখন শুধু একটি মাত্র কাজ ইন্সটল এ ক্লিক করা । তারপর ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হওয়া শুরু হয়ে যাবে । এটি আপনার নেটওয়ার্ক এর উপর ভিত্তি করবে কতক্ষণ সময় নিবে ।

ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল কমপ্লিট হয়ে গেলে আপনি Admin Panel এর ভিতর থেকে নিজের মত করে ডিজাইন করতে পারবেন । আমরা পরবর্তী তে ভিডিও সহ একটি সিরিজ তুলে ধরবো যেখানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর সকল তথ্য পেয়ে জাবেন । শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ।

Bangladesh All Sim Short Code!বাংলাদেশী সকল সিম কার্ডের গুরুত্বপূর্ণ কোড!

0

আমরা সকলেই স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকি ।আর তার সাথেই কারো সাথে কথা বলতে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে সিম কার্ড ব্যবহার করে থাকি ।কিন্তু আমরা সকলেই নিজের সিম কার্ড দিয়ে কিভাবে সিম এর সকল তথ্য জানতে পারবেন । আজকে সেটা নিয়েই আলোচনা করবো।
তার আগে আমরা জেনে নেই বাংলাদেশ এ বর্তমানে কত প্রকার সিম চালু আছে। বর্তমানে বাংলাদেশ এ ৬ প্রকার সিম চালু আছে । ১;Banglalink ২;Grameenphone ৩;Robi ৪; Airtel ৫;Teletalk ৬; Skitto
Banglalink all Short Code:-
Banglalink Sim Balance Check : *124#
Package Check: *125#
Check Number: 511# Minute Check:1242# Check MMS:1242# MB Check:5000*500#, OR *124*5# ,OR *222*3#
Call BACK Dial: *126*Type Number#
Net Setup/APN Setup Request : Type ALL and Send Message To 3343
Missed Call Alert {ON} : START and send 622
Missed Call Alert {Off}:STOP and send 622

Grameenphone all Short Code:-
Check Balance :*566#
See Sim Number: *2#
GP Minute Check: 56624#
SMS Check: 5662#
GP Internet Check: 12124# GP Package Check:11172#
SIM Information Check: 121# Call Back Code:123Type Number# Robi all Short Code:- Check Sim Information:124#
Balance Check :*222#
Phone Number: *14024#
Minute Check:2223#
SMS Check: 22211#
MMS Check: 22213#
Internet Check: 844488#, 3# Setup Network Setting:1407# Airtel all Short Code:- Balance Check:778#
Check Number:12163# Check Airtel Package:121*8#
Minute Check: *7785# SMS Check:778*2#
MMS Check: *22213# Internet Pack Check:778*38# OR *778*4#
Call Back: *121*5#
Missed Call Alert: *12134#
Teletalk all Short Code:-
Balance Check:*152#
Check Number: (Tar) and Send to 222
Minute Check: *152#
SMS Check: 152# MMS Check :152#
Mb Check:152# Set Netork: SET & Send to 738 Skitto all Short Code:- Account Balance Check:12111#
Internet Balance :12113# SMS Bundle :12114#
Minute Check:1211*2#
এখানে সকল সিম এর দরকারি কোড দেওয়া হল । তারপর ও যদি কোন কোড না জানা থাকে বা বাদ পরে তাহলে প্লিজ কমেন্ট করুন সমাধান করার চেষ্টা করবো ।

What is Google Maps? How to use google maps?

0

আমরা সকলে প্রতিনিয়ত কোথাও না কোথাও যেয়ে থাকি । আর ভুলে সেই জায়গা না চিনতে পারি তাহলে মানুষ কে জিজ্ঞাসা করি “ভাই এই জায়গা টা কই ?” ভাই এখানে কিভাবে যাবো?

কত জনকে কত রকম জিজ্ঞাসা করি আমরা । কেউ বলে জানি না , কেউ বলে চিনি না ,আবার কেউ জায়গা ও দেখিয়ে দেয়।

কিন্তু এ সকল সমস্যা সমাধান করতে ব্যবহার বাড়ছে  গুগল ম্যাপ এর। কিন্তু আমরা অনেক এই গুগল ম্যাপ এর ব্যবহার জানি না । আর যারা জানি না তাদের আজকে দেখিয়ে দিব কিভাবে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করতে হয় ।

Steap 1:-

প্রথমে Chrome বা যেকোনো Browser খুলুন । কিন্ত আমরা অনেকেই জানি Android Mobile এর সাথে এখন Pre Install থাকে । আর যাদের মোবাইল এ  গুগল ম্যাপ নেই তারা Play Store থেকে Download করে নিন ।

Steap 2:-

এখন মোবাইল এর লোকেশন চালু করে দিন । দেখবেন গুগল ম্যাপ এ আপনি কোথায় আছেন সেটা দেখিয়ে দিবে । এখন আপনি যেখানে যাবেন সেই জায়গার নাম সার্চ বক্সে লিখুন । দেখবেন সেই জায়গার লোকেশন বের হয়ে আসছে ।

Steap 3:-

এখন আপনি Distance এ মানে নিচের দেখানো Icon এ ক্লিক করুন । আপনার লোকেশন থেকে আপনার গন্তব্যে কিভাবে যাবেন সেটি দেখিয়ে দিবে ।কি দারুণ জিনিস তাই না!

Steap 4:-

গুগল ম্যাপ এর আরও কিছু চমৎকার ফিচার । আমরা যেখানেই যাই দেরি হলে থাকার জায়গা কিংবা খিদা লাগলে ভালো কোন রেস্টুরেন্ট খুজি আর তার ও সমাধান আছে গুগল ম্যাপ এ । আপনার আশে পাশে কোথায় ভালো হোটেল বা রেস্টুরেন্ট আছে কিনা সেটিও জানতে পারবেন গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে।

Steap 5:-

মনে করুন আপনার খুব টাকার প্রয়োজন । কিন্তু আপানর ব্যংক এ টাকা আছে কিন্তু আপনি আপনার ব্যাংকের কাছের কোন ব্যাংক খুজে পাচ্ছেন না , তাহলে আপনি কি করবেন । আর সেটির ও সমাধান আছে গুগল ম্যাপ এ । নিচের ছবির মত আপনি আপনার অবস্থান করা জায়গায় কোথায় আপনার ব্যাংক এর ব্রাঞ্চ আছে সেটি খুজে বের করতে পারবেন ।

Steap 6:-

আজকাল শহরে মানুষ এর থেকে জ্যাম টা ই বেশি থাকে ।এখন কথা হচ্ছে শহরের কোন জায়গায় জ্যাম আছে আপনি জানবেন কি করে ? সহজ ব্যাপার । গুগল ম্যাপ খুলুন আর দেখে নিন আপনি যে রাস্তায় যাচ্ছেন সেই রাস্তায় জ্যাম আছে কিনা। নিচের চিত্রে দেখানো হল গুগল ম্যাপ এ কিভাবে ট্রাফিক Check করবেন।

Steap 7:-

মনে করুন আপনি কোথাও বসে আছেন আর আপনার Friend আপনাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে । এই মুহূর্তে কি করবেন আপনি? আপনার Friend এর কাছে ছুটে যাবেন নাকি ফোন করে বলবেন আমি এখানে আছি তুই চলে আয় । হ্যাঁ আমি বুঝে গেছি আপনি কি ভাবছেন এখনি ফোন টা হাতে নিন আর নিচের দেখানো চিত্রের মত আপানর Friend কে ও আপনার জায়গার লোকেশন দিয়ে দিন মুহূর্তে ।

Steap 8:-

আমরা অনেকেই বিভিন্ন Website ,App ,Game বানিয়ে থাকি । কিন্তু কেমন হয় Friend এর সাথে শেয়ার করার মত আপনার App অথবা Website এ যদি আপনার লোকেশন দেওয়া যায়? তাহলে এখনি খুলুন গুগল ম্যাপ আর এখনি Embed করে নিন আপনার লোকেশন । আর লোকেশন Embed করতে নিচের দেখানো ছবির মত Embed Your Location  ক্লিক করুন । Well Done আপনার কাজ শেষ । এখন আপনার App অথবা Website এ Embed করা কোড টি নিয়ে বসিয়ে দিন।

আজকের মত এই  পর্যন্ত । যদি কারো কোন প্রশ্ন থাকে কমেন্ট করতে পারেন ।আশা করি সমাধান করতে পারবো।

ধন্যবাদ…………………